এখানে আমি অনলিনে থেকে ইনকামের চারটি উপায় নিয়ে আলোচনা করেছি। আমরা সকলেই স্বপ্ন দেখি অনেক টাকার মালিক হব। কিন্তু কিভাবে হব? কি করতে হবে? কতটুকু করতে হব? তাই নিয়ে আজ কথা বলব। শুরুতেই বলে নেই ভালো স্কিল সবসময় ভালো ফলাফল দেয়। চলুন সুরু করা যাক

১। ইউটিউব চ্যানেল

ইউটিউব হচ্ছে প্যাসিভ ইনকামের সবথেকে ভালো মাধ্যম। আপনি নিয়মিত মজাদার ভিডিও তৈরি করে আপলোড করে কামাতে পারেন অনেক টাকা। এটা আমার বাবানানো কথা নয়। তার প্রমান নিচে দেখুন।

ইউটিউব থেকে আয়

এই সাত বছরের শিশুটি যদি এত আয় করতে পারে তাহলে আপনি নন কেন?

কি ধরনের ভিডিও দিবেন? হতে পারে, আপনি বন্ধুদের সাথে মজা করছেন তাদের সাথে মজা করার সময় ভিডিও করে আপলোড দিন, এছাড়াও আপনার শখের জিনিস তৈরি করে, বা কোন রান্নার রেসিপি, আপনি ঘুরতে ভালবাসেন আপনার পছন্দের জায়গা গুলোর ভিডিও করে দিতে পারেন, আপনি ভালো কম্পিউটার জানেন এটা নিয়েও ভিডিও করতে পারেন, আপনি কোন বিষয় এ খুব দক্ষ হতে পারে গান, জোকস, ইত্যাদি এই গুলা ভিডিও করে আপলোড দিতে পারেন। তবে ধৈর্য হারাবেন না, নিয়মিত ভিডিও আপলোড করে যান।

আপনার চ্যানেল এর ভিউ শুরুর দিকে কম থাকলেও ধিরে ধিরে তা ববৃদ্ধি পাবে।

২। ব্লগ

আপনি যদি ভালো লিখতে পারে তাহলে ব্লগ তৈরি করতে পারেন, এখন বলছেন ব্লগ এ কি কি লিখতে হয়? এখন আমি আপনাকে প্রশ্ন করব আপনি ভালো বিষয় এ ভালো জানেন। সে বিষয় এ একটা ব্লগ খুলুন। নিয়মিত আর্টিকেল পাবলিশ করুন। আমার সাইটএ ভিজিটর বাড়ান। যখন নির্দিষ্ট ভিজিটর আসা শুরু করবে তখন সাইটএ একটা অ্যাডসেন্স অ্যাড করে নিন। তবে অ্যাডসেন্স অ্যাড করার পূর্বে আপনার সাইটি ভালো ভাবে অপটিমাইজ করে নিবেন যেন আপ্লাই করার সাথে সাথে অ্যাপরুভ করে।

৩। অ্যাফিলিয়েট

আপনি কি জানেন কোন কোম্পানির প্রোডাক্ট অনুমোদিত মার্কেটার হয়ে হয়ে বিক্রি করা যায়। বিনিময়ে অর্থ উপার্জন করা যায়। কোন জামেলা ছাড়া। ধারণাটি একধম সহজ একই সাথে মাইন্ডব্লোয়িং।

আমি জানি আপনি এই সমস্ত বড় সংস্থাগুলি, ফেসবুক, উবার, এয়ারবিএনবি, ট্রিভাগো সম্পর্কে ভাবেন। তাদের সবার মাঝে মিল কি? উত্তরটি হ’ল তারা নিজেরাই কোনও পণ্যই মালিক নয়। তারা কেবল বিজ্ঞাপনদাতাদের / ড্রাইভার / বাড়ির মালিক / ব্যবসায়ীদের সাথে গ্রাহকের সাথে সংযোগকারী সেতু। এখনকার বাজারে তাদের মূল্য বিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে।

এরা একটি কোম্পানির প্রোডাক্ট তাদের অনুমতি নিয়ে এগুলো সবার মাঝে প্রচার করার এ থেকে তারা কমিশন পায়।

আপনিও এটি শুরু করতে পারেন। অনেকগুলি অনুমোদিত সাইট রয়েছে যা আপনি কোন প্রোডাক্ট এর বিজ্ঞাপন করতে পারেন। যেমনঃ ক্লিকব্যাঙ্ক, শেয়ারসালে, অ্যামাজন … ইত্যাদি প্রচার শুরু করতে পারেন।

৪। ফ্রীলাঞ্চার

আপনি যদি কোন বিষয় এ ট্যালেন্ট হয়ে থাকেন, যেমনঃ প্রোগ্রামিং, ট্রান্সলেটিং, ভিডিও এডিটিং, ডিজাইন, এ ছাড়া আর অনেক বিষয় আছে। এগুলো যদি আপনি দক্ষ হন তাহলে আমি বলব আপনি ফ্রীলাঞ্চিং করেন।

ফাইভার, আপওয়ার্ক এবং ফ্রিল্যান্সারের মতো সাইটগুলি যেখানে আপনি “আপনার পোর্টফলিও আপলোড” করে আপনার কাংখিত গ্রাহকদের জন্য অপেক্ষা করতে পারেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.